সবুজ পরি ও কাব্যের অভিযান
সাহিত্যে স্বৈরতন্ত্র ও প্রতিরোধ : স্মৃতি বনাম বিস্মৃতি

স্বৈরতন্ত্র চিরকাল থাকে না, কিন্তু সাহিত্য টিকে যায়। সাহিত্যের জন্মের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিরোধের প্রসঙ্গও আসে। বলা ভালো, সমাজ-সাংস্কৃতিক ক্রিয়াশীলতা থেকে জন্ম নেয় প্রতিবাদী সাহিত্য।
পাঠের লিঙ্ক : ডেইলিস্টার.বাংলা
শতবর্ষে মুসলিম সাহিত্য সমাজ : প্রসঙ্গ শিখা গোষ্ঠী
পাঠের লিঙ্ক : https://www.banglatribune.com
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’-এর মুখপত্র ‘শিখা’ পত্রিকা ছিল এক ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক ঘোষণাপত্র। যুক্তি, আত্মসমালোচনা এবং ধর্মীয় ও সাহিত্যিক পুনর্বিবেচনার এক সাহসী পদক্ষেপ। ‘শিখা’ পত্রিকার শতবর্ষ উপলক্ষ্যে পত্রিকাটির ঐতিহাসিক ভূমিকা, সম্পাদকীয় দর্শন, তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক অবস্থান এবং বাংলা সাহিত্যে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে ধারাবাহিক সাক্ষাৎকারের এ পর্বে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক খোরশেদ আলম। সার্বিক সহযোগিতা করেছেন হেমায়েত উল্লাহ ইমন ও শাহরিয়ার হিরাজ।
উপন্যাসের অন্দরমহল: আলাপ (পর্ব-২)

উপন্যাসের গহন পথ : ব্যক্তি ও সৃজন
আলাপচারিতার এই পর্যায়ে কথাসাহিত্যিক হামীম কামরুল হকের জবানিতে দেবেশ রায়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এবং প্রফুল্ল রায়ের লেখক-সত্তা নিয়ে অত্যন্ত স্পষ্ট ও কিছুটা তাত্ত্বিক বিতর্কের জায়গা তৈরি হয়েছে। এছাড়াও প্রাসঙ্গিকভাবে এসেছে ইলিয়াস, মাহমুদুল হক, রুশদি, নাইপল ও দস্তয়েভস্কির কথা।
১ম পর্বের লিঙ্ক : https://wp.me/p46zKa-2n2
সূত্রধর: খোরশেদ আলম
কথক: হামীম কামরুল হক
স্মৃতিতে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

হাড়-পাঁজরা খোলা সেই রাতের গল্প
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির ওপরতলার রেস্টহাউসে সেই দিন… পশ্চিমবঙ্গের কবি রফিকুল ইসলামের স্মৃতির জানালা দিয়ে কিংবদন্তি সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে দেখার এক অপূর্ব সুযোগ তৈরি হয়েছিল সেই আড্ডায়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ জন শিক্ষক ও লেখকের উপস্থিতিতে এই আলাপচারিতাটি প্রাণবন্ত রূপ পেয়েছে। এই স্মৃতিচারণায় উঠে এসেছে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, তাঁর স্ত্রী স্বাতী গঙ্গোপাধ্যায় (স্বাতী দি) এবং চলচ্চিত্র পরিচালক গৌতম ঘোষের সঙ্গে কাটানো কিছু অমূল্য মুহূর্ত।
আড্ডায় অংশগ্রহণকারী : রফিকুল ইসলাম, শামীম রেজা, হামীম কামরুল হক, অবশেষ দাস ও খোরশেদ আলম।
উপন্যাসের অন্দরমহল : আলাপ পর্ব-১

কথাসাহিত্যিকের সঙ্গে নিভৃত সংলাপ
মূলত উপন্যাস নিয়ে টুকরো কিছু কথাবার্তা হচ্ছিল কথাসাহিত্যিক হামীম কামরুল হকের সঙ্গে একান্ত ব্যক্তিগত আলাপচারিতায়। এই সংলাপগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; কেননা স্বতঃস্ফূর্ত এই আলাপে উঠে এসেছে—একটি উপন্যাসের জন্ম কীভাবে ও কোন প্রক্রিয়ায় হতে পারে। ব্যক্তিগত অনুভব থেকে শুরু হওয়া সেই আলাপ ক্রমান্বয়ে বাংলা ও বিশ্বসাহিত্যের দিকপাল কথাকারদের ছুঁয়ে বিস্তৃত হতে থাকল।
স্মৃতির মিনার ভেঙেছে তোমার
শহিদ মিনারটি মুখ থুবড়ে পড়ে। যেন শত বছরের নিঃসঙ্গতা তাকে ঘিরে রেখেছে। সকরুণ সকালটি জানিয়ে গেল সাংঘাতিক এক বার্তা। একি শনির গ্রাস! একি রাহুর ষড়যন্ত্র! সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার তারা ভাই ভাই। ভাই ভাইয়ের গায়ে ঝুলে পড়ে আছে। কষ্টে তাদের বুকের ভেতরটা ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে বেরিয়ে পড়েছে। বুক উজাড় করে কলিজা, ফুসফুসগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে এবড়ো খেবড়ো। কংক্রিটের ভেতরের রডগুলো দেখা যাচ্ছে। যেন শিরা উপশিরাগুলো বেরিয়ে পড়েছে।
— আঃ! আমাকে মেরো না। আমাদের আর আঘাত করো না। জাতি ক্ষমা করবে না।
— তোমাদের মুখোশ আজ উন্মোচিত।