রবীন্দ্রনাথের বিশ্বপথ: এক অখণ্ড নীড়

 ডেইলি স্টার লিঙ্ক : রবীন্দ্রনাথের বিশ্বপথ: এক অখণ্ড নীড়

১৯৩২ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ইরান ও ইরাক সফর করেছিলেন। সেই সফরের অভিজ্ঞতার বিস্তারিত তিনি লিখেছেন তার ‘পারস্যে’ ভ্রমণকাহিনিতে। এতে প্রকাশিত আবেগ ও অনুভূতি কবির বিশ্বজনীন ভাবনার স্পর্শে অনন্য মাত্রা পেয়েছে। 

বিশেষ করে, এর বড় অংশজুড়ে ফুটে উঠেছে মুসলিম বিশ্বের প্রতি রবীন্দ্রনাথের গভীর শ্রদ্ধা ও আত্মিক টান। তিনি পরম মমতায় এঁকেছেন কবি হাফিজ ও রুমির আধ্যাত্মিক উত্তরাধিকারকে।

ইরানে হাফিজ শিরাজির সমাধিতে বসে কবি পরম শান্তি অনুভব করেছিলেন, সেখানে কিছুক্ষণ ধ্যানে মগ্ন ছিলেন। রবীন্দ্রনাথের চোখ ভরা ছিল অশ্রু, ছিল এক অমোঘ সত্য প্রেমের উপলব্ধি।

 বিস্তারিত : রবীন্দ্রনাথের বিশ্বপথ: এক অখণ্ড নীড়

জন্মদিন

 বঙ্গনিউজ প্রতিবেদন



বঙ্গ নিউজ সেলিব্রেশন






বাংলা থিয়েটার সেলিব্রেশন

মির্জা গালিব, ইকবাল ও বাংলা গজল (গজল পর্ব-২)

মির্জা গালিব, ইকবাল ও বাংলা গজল 

আলাপ : দ্বিতীয় পর্ব

দারুণ এক জায়গায় আমরা থেমেছিলাম। জনাব তসলিম হাসানের বয়ানে আমরা জেনেছিলাম যে, গজল হচ্ছে আত্মার শূন্যতা, অন্তরের নিবিড় আর্তনাদ। কোনো নির্দিষ্ট ভাষার ব্যাকরণ কেবল নয় তা। রাজদরবারের আভিজাত্য চুঁইয়ে গজল এসে মিশেছে সাধারণ মানুষের যাপিত জীবনে, তাদের হাহাকারের সঙ্গে। এক্ষেত্রে দেশে দেশে পার্থক্য নেই। পারস্যের মরমী সুর আর বাংলার মাটির বৈষ্ণব পদাবলি একই সমান্তরালে প্রেম ও বিরহকে খুঁজেছে। সত্যিকার অর্থেই এটি আমাদের সাহিত্যের এক অনন্য অধ্যায়।

গজলের ওই যে ‘রেকতা’ বা লোকজ ভাষায় রূপান্তরের ইতিহাস, তা আজ আমাদের নতুন করে ভাবাচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়—আমির খসরু থেকে গালিব, ইকবাল কিংবা আমাদের নজরুল; তাঁরা কীভাবে এই বিরহী সুরকে আধুনিক জীবনে প্রতিস্থাপন করলেন? নাগরিক এক বিচ্ছিন্ন সময়ে, গজলের সেই ‘মরণ আর্তনাদ’ কি আমাদের নতুন কোনো আধ্যাত্মিক পথ দেখাবে? এ বিষয়গুলো ১ম পর্বে উঠে এসেছিল। এইসব গভীর জিজ্ঞাসা আর বাংলা গজলের বিবর্তনের বাকি পথটুকু নিয়ে আমরা ফিরছি আলোচনার দ্বিতীয় পর্বে। ততক্ষণ গজলের আচ্ছন্নতায় ডুবে থাকুক আমাদের মন।

উপন্যাসের রাজনীতি ও শৈল্পিক সততা







উপন্যাসের অন্দরমহল: আলাপচারিতা (পর্ব-৩)

সূত্রধর: খোরশেদ আলম

বক্তা: হামীম কামরুল হক

‘উপন্যাসের অন্দরমহল: আলাপচারিতা’র তৃতীয় পর্বে সূত্রধর খোরশেদ আলমের মুখোমুখি হয়েছেন কথাসাহিত্যিক ও সমালোচক হামীম কামরুল হক। এই পর্বেও তিনি তাঁর চিরাচরিত নির্মোহ ও তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণে ব্যবচ্ছেদ করেছেন বাংলা উপন্যাসের গতিপ্রকৃতি। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘পাশ্চাত্য মনন’ থেকে শুরু করে অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘মায়াবী মোহনীয়তা’ হয়ে আলোচনা গড়িয়েছে আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ‘খোয়াবনামা’র রাজনৈতিক প্রজেক্ট পর্যন্ত। মাহমুদুল হকের ‘জহুরি’ দৃষ্টির সাথে ইলিয়াস বা হাসানের তুলনামূলক বিচার এবং দেশভাগ নিয়ে আবু জাফর শামসুদ্দীনের রাজনৈতিক সততার প্রসঙ্গগুলো এই আলাপকে এক অনন্য উচ্চতা দিয়েছে। আদর্শিক জটিলতা আর শেকড়ের সন্ধানে মত্ত কথাসাহিত্যের ভেতরের সেই ‘মরমী অন্ধকার’ খোঁজার এক রুদ্ধশ্বাস প্রচেষ্টা ফুটে উঠেছে এই পর্বে। 

বিস্তারিত : শিশিরের শব্দ : https://wp.me/p46zKa-2oz

মুক্তচিন্তার অগ্নিপরীক্ষায় আবুল হুসেন

 

কালের ধ্বনি : এপ্রিল ২০২৬/বৈশাখ ১৪৩৩
সম্পাদক: ইমরান মাহফুজ
প্রধান সম্পাদক : আশিক রেজা



সবুজ পরি ও কাব্যের অভিযান

ছোটদের জন্য একটি লেখা ছাপা হলো "ছোটদের সময়" পত্রিকায়। মূলত কয়েকজন ছোট্টবন্ধু কীভাবে একটি পরিবেশ অভিযান চালায় তারই গল্প এটি। দূষণের পৃথিবী থেকে তারা নিজেরা যেমন মুক্তি চায়, তেমনি সবাইকে মুক্ত করতে চায়। "ছোটদের সময়", ঈদ সংকলন-২০২৬; ১৩ বর্ষ, ২য় সংখ্যা, মার্চ-এপ্রিল (সম্পাদক: মামুন সারওয়ার)

সাহিত্যে স্বৈরতন্ত্র ও প্রতিরোধ : স্মৃতি বনাম বিস্মৃতি

স্টার অনলাইন গ্রাফিক্স

স্বৈরতন্ত্র চিরকাল থাকে না, কিন্তু সাহিত্য টিকে যায়। সাহিত্যের জন্মের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিরোধের প্রসঙ্গও আসে। বলা ভালো, সমাজ-সাংস্কৃতিক ক্রিয়াশীলতা থেকে জন্ম নেয় প্রতিবাদী সাহিত্য। 

পাঠের লিঙ্ক : ডেইলিস্টার.বাংলা