চারণ শিল্পী, পালাকার রিজু আহমেদের সংগ্রামী শিল্পজীবন

একজন মানুষ শিল্পী হয়ে ওঠে কী কারণে? নিশ্চয়ই তার মধ্যে থাকে অন্তরের প্রবল অভিব্যক্তি। শুধু পারিপার্শ্বিকতা বড়ো কথা নয়, এর বাইরেও থাকে নিজস্ব উপলব্ধি, প্রবল হার্দিক তাড়না। এই অন্তর্চেতনা স্বকীয়, সহজাত, অনেক সময় স্বীয় কালের অক্ষরে ভাস্বর। তবুও কথা থেকে যায়, মানুষ কি পাখির মতো গান গাইতে পারে? মানুষের কি স্বাধীন একটা সত্তা আছে, যা তাকে ‍ফুলের মতো নিজের অনুভবকে প্রকাশ করায়, পাখির মতো গলায় সুমিষ্ট সুর চড়ায়? হয়তবা তা করতে পারে, এজন্যই শিল্পের জন্ম হয়। পুরাতন পৃথিবী চির নতুন হয়ে ধরা দেয়। অনেক শিল্পবোদ্ধা এটাকে প্রেরণা, স্বর্গীয় ধারণা ইত্যাদি নামে অভিহিত করে থাকেন। আবার অনেকে মনে করেন, শিল্প আসলে চর্চার ফসল। হয়তবা শিল্প একইসঙ্গে দুটোই, কিংবা তার ভেতরে কোনো শক্তি একটি বিশেষভাবে সক্রিয় হয়ে ওঠে। 

‘সাঁতাও’: তিস্তার বুকে সেলুলয়েডের মহাকাব্য

 


বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ আসলে কী?

 

  • বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ আসলে কী? এর জন্য অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়।
  • শুধু পাঠদান, ডিগ্রি প্রদানই কি এর মূল উদ্দেশ্য? নাকি আরও বিষয় আছে?
  • বিশ্ববিদ্যালয় যে গবেষণা বা জ্ঞান উৎপাদন করে সেসব কি রাষ্ট্র ঠিক করে দেয়?
    • নাকি
  • বিশ্ববিদ্যালয়ই সমাজ ও রাষ্ট্রকে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে বাধ্য করে কী করতে হবে? 

‘রাষ্ট্র ও বিশ্ববিদ্যালয়’ আসলে পারস্পরিক বোঝাপড়া। “কী করতে হবে বা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কী?” এই প্রশ্নের উত্তরের মাধ্যমেই বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন গবেষণার ক্ষেত্র তৈরি হয়। এতে লেখাপড়ার প্রকৃত উদ্দেশ্য সম্পর্কেও ধারণা আসে। রাষ্ট্র এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্ক তাই দ্বান্দ্বিক ও জটিল অর্থাৎ, কে কাকে চালিত করবে, এ-জবাব একদম ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-র মাধ্যমে সরলভাবে দেওয়া সম্ভব নয়।

নজরুল আসলে কার?

সমাজ ও মানুষ মূলত পরিবর্তনশীল। তাদের মূল্যবোধ যেমন পালটে যায়, তেমনি সুবিধাবাদী ভোলও উলটে যায়। নজরুলের পথ মোটেও মসৃণ ছিল না। তাঁর কঙ্কর বিছানো পথে একদিন নিজেরাই তারা হোঁচট খেয়েছিল। কিন্তু তারাই আবার খননযন্ত্র হাতে নিয়ে সেই বন্ধুর পথ সমতল করতে ব্যস্ত। ভবিষ্যতের সমাজ এককালের ‘বিতর্কিত’ শিল্পীকে নিজস্ব আয়নার মুখোমুখি করতে চায়। এমতাবস্থায় এক ধরনের অদ্ভুত ও মজাদার মনস্তাত্ত্বিক রূপান্তর ঘটে। সমকালে সমাজ, রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠান যাকে প্রতিনিয়ত দৌড়ের ওপর রেখেছিল, মহাকালে তাঁকেই সিংহাসনে বসিয়ে দেবতা বানানোর ধুম পড়ে যায়। কিন্তু কেন এই উত্তরসূরিরা পরবর্তী সময়ে স্ব-রুচির বাইরের শিল্পীকে ‘নিজের’ করে নেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে? তেতো সত্য হচ্ছে— চারিত্রিক, মানসিক বা আদর্শিক দিক থেকে তারাই তো আগের সেই দমনকারীদের প্রতিরূপ !

‘কোরবানি’ বিতর্কে সমাজ-সংস্কৃতি ও সাহিত্য

 

ঈদুল আজহা বা কোরবানি ঈদ মুসলিম বিশ্বের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। সেমীয় আদি পিতা হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর মহান আত্মত্যাগ ও ঐশী আনুগত্যের স্মৃতিবিজড়িত এই উৎসবটি আধ্যাত্মিক ও ধর্মীয় অনুশাসনের ওপর প্রতিষ্ঠিত। তবে বঙ্গীয় অববাহিকায় (বিশেষ করে বাংলায়) এই উৎসব-উদ্‌যাপন কেবল ধর্মীয় রীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। বিগত দু শ বছরের প্রেক্ষাপট পর্যালোচনা করলে, বাংলায় কোরবানি ঈদ উদ্‌যাপন, গবাদিপশু কোরবানি এবং মাংস খাওয়ার অভ্যাসের পেছনে এক দীর্ঘ সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাহিত্যিক বিবর্তনের ইতিহাস মেলে। উনিশ শতকের সামন্ততান্ত্রিক ও সামাজিক টানাপড়েন থেকে শুরু করে একুশ শতকের আধুনিক যন্ত্রসভ্যতা ও নাগরিক জীবনের দ্বন্দ্ব—সব মিলিয়ে কোরবানি ঈদ নানা আলোচনা, বিতর্ক ও চিন্তার জন্ম দেয়।

রবীন্দ্রনাথের বিশ্বপথ: এক অখণ্ড নীড়

 ডেইলি স্টার লিঙ্ক : রবীন্দ্রনাথের বিশ্বপথ: এক অখণ্ড নীড়

১৯৩২ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ইরান ও ইরাক সফর করেছিলেন। সেই সফরের অভিজ্ঞতার বিস্তারিত তিনি লিখেছেন তার ‘পারস্যে’ ভ্রমণকাহিনিতে। এতে প্রকাশিত আবেগ ও অনুভূতি কবির বিশ্বজনীন ভাবনার স্পর্শে অনন্য মাত্রা পেয়েছে। 

বিশেষ করে, এর বড় অংশজুড়ে ফুটে উঠেছে মুসলিম বিশ্বের প্রতি রবীন্দ্রনাথের গভীর শ্রদ্ধা ও আত্মিক টান। তিনি পরম মমতায় এঁকেছেন কবি হাফিজ ও রুমির আধ্যাত্মিক উত্তরাধিকারকে।

ইরানে হাফিজ শিরাজির সমাধিতে বসে কবি পরম শান্তি অনুভব করেছিলেন, সেখানে কিছুক্ষণ ধ্যানে মগ্ন ছিলেন। রবীন্দ্রনাথের চোখ ভরা ছিল অশ্রু, ছিল এক অমোঘ সত্য প্রেমের উপলব্ধি।

 বিস্তারিত : রবীন্দ্রনাথের বিশ্বপথ: এক অখণ্ড নীড়

জন্মদিন

 বঙ্গনিউজ প্রতিবেদন



বঙ্গ নিউজ সেলিব্রেশন






বাংলা থিয়েটার সেলিব্রেশন