BAN 0232 3502; কোর্স শিরোনাম: সাহিত্যতত্ত্ব ও সাহিত্য-সমালোচনা










BAN 0232 3502

কোর্স শিরোনাম: সাহিত্যতত্ত্ব ও সাহিত্য-সমালোচনা

মোট ক্লাস: ১২টি | টিউটোরিয়াল: ২টি


প্রথম অংশ: সাহিত্যতত্ত্ব 

  • ক্লাস ১: সাহিত্যতত্ত্বের ভূমিকা

    • বিষয়: সাহিত্যতত্ত্ব কী ও কেন? সাহিত্যের রূপ, রীতি ও আঙ্গিক সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা।

  • ক্লাস ২: ভারতীয় সাহিত্যতত্ত্ব (ভারতীয়বাদ)

    • বিষয়: প্রাচীন ভারতের রসতত্ত্ব, ধ্বনিবাদ এবং অলঙ্কার শাস্ত্রের মৌলিক ধারণা।

  • ক্লাস ৩: গ্রিক সাহিত্যতত্ত্ব: প্লেটো ও অ্যারিস্টটল

    • বিষয়: প্লেটো ও অ্যারিস্টটলের অনুকরণতত্ত্ব (Mimesis) এবং ট্র্যাজেডি সংক্রান্ত ধ্রুপদী ভাবনা।

  • ক্লাস ৪: রোমান সাহিত্যতত্ত্ব: হোরাস (Horace)

    • বিষয়: হোরাসের ‘আর্স পোয়েটিকা’ এবং কাব্য রচনার ধ্রুপদী নিয়মকানুন।

  • ক্লাস ৫: রোমান সাহিত্যতত্ত্ব: লঙজাইনাস (Longinus)

    • বিষয়: লঙজাইনাসের ‘সাবলাইম’ বা মহত্ত্বতত্ত্ব এবং শৈল্পিক গাম্ভীর্য।

  • ক্লাস ৬: ধ্রুপদীবাদ (Classicism) ও রোমান্টিকতাবাদ (Romanticism)

    • বিষয়: ধ্রুপদী শৃঙ্খলার সাথে রোমান্টিক ভাবাবেগ ও কল্পনার তুলনামূলক আলোচনা।

আলবেয়ার কামুর সাহিত্য : শূন্যতা, সহিংসতা ও নৈতিকতা

জীবনের অর্থ অনুসন্ধান চিন্তাশীল মানুষের একটি স্বাভাবিক আকাঙ্ক্ষা। কেউ তা সন্ধান করতে পেরেছে, কেউ চেষ্টা করে গোটা জীবনই পার করেছে। আবার কেউ মাঝপথে হাল ছেড়ে দিয়েছে। জীবন আপাত মধুর হলেও নেতিবাচকতা তার সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা। এই নেতি বা শূন্যতার বোধ অবশ্য বাস্তবতা থেকেই আসে। পৃথিবী স্বর্গের অমরাবতী নয়, জটিল বাস্তবতা তাকে নারকীয় করে তোলে। যুদ্ধ, হিংসা আর অমানবিকতার মধ্যে মাধুর্যের প্রতীক্ষা সত্যিই কঠিন। যদিও এই কঠিনের সাধনায় আলবেয়ার কামু জয়ী হয়েছেন, আশাবাদী জীবনদৃষ্টি ছড়িয়ে দিয়েছেন। এখানেই কামু অনন্য, যুগের পরিস্থিতিকে তিনি ভিন্নভাবে মূল্যায়ন করতে সক্ষম হয়েছেন।

সাহিত্যের পটভূমি প্রাণ-প্রকৃতি

  

"সাহিত্যের পটভূমি প্রাণ-প্রকৃতি" : খোরশেদ আলম
“ভাষা ও গণতন্ত্র : রাষ্ট্র নির্মাণের আকাঙ্ক্ষা”, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট।

বেশ্ব-বিদ্যালয় সন্দেশ

বিদ্যা-বিরাগী সুবিন্যস্ত (অ)ধী-পতি। পরিধেয় বস্ত্র ও অলঙ্কারে ধোপদুরস্ত। তার ময়ূর-আসনটি সুউচ্চ তাই নিম্নজন অন্তরাল থাকে। সদ্য পাওয়া ক্ষমতায় তিনি বেহুঁশ! মশহুর বিদুষকের দল আঠার মতো লেগে রইল। তেতে উঠলো স্বর্গ-মর্ত্য-পাতাল। ত্রিলোক কম্পিত হলো থরথর। ময়ূরচিহ্নিত আসনটির আশেপাশে কয়েকজন গো-বিদ্যান। তারা গবেষক, তাই ব্যস্ত, গো নিয়ে গো গো করছে।জেদেরও নাকি গো আছে! আর তা যদি গবেটের হয়, তো অন্যদের কপালে শনি। 


একজন বাজখাঁই, কণ্ঠনালী ও মন যার অঙ্কশাস্ত্রীয় মতে চলে। তিনি পণ্ডিতন্মন্য ও সাক্ষাৎ নিমাই। আপন বড়াই প্রকাশে বাড়াবাড়ির চোটে কপাল কোঁচকানো। স্বল্প চুলের কার্বন চশমায় তাকে সবচে পণ্ডিতপ্রবর বলে ভ্রম হয়। প্রকৃতপক্ষে তিনি শৃগাল শ্রেণির। প্রতিষ্ঠানের মস্তিষ্কলোকে সর্ববিদ্যার মালিশ-প্রলেপে তিনি সুমহান আতেলেকচুয়াল। তার কথা কিঞ্চিৎ পরে আসুক। 

ঔপন্যাসিক জহির রায়হান

 দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত : লিঙ্ক.খবরের কাগজ.কম

পিতামাতার ইচ্ছে ছিল মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ খান ডাক্তার হবেন। কিন্তু অনুরাগবশত বিশ্ববিদ্যালয়ে সাহিত্য বিভাগে ভর্তি হলেন। রায়হান নামে প্রবেশ করলেন লেখার জগতে। তারপর মূল নামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে হলেন জহির রায়হান। ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার ফিকহ্ শাস্ত্রের শিক্ষক হয়েও পিতা ছিলেন ধর্মপ্রাণ, আদর্শবান ও উদারপ্রাণ। মাতা সৈয়দা সুফিয়া খাতুনের লেখাপড়া নবম শ্রেণি পর্যন্ত কিন্তু ছিলেন সচেতন মানুষ। বৃত্ত ভাঙার অন্তর্দৃষ্টি ও সত্যনিষ্ঠা ছিল তাঁর মধ্যে।  

জসীম উদ্‌দীন: বাংলার আকাশে ভিন্ন রং

‘খবরের কাগজ’-এ প্রকাশিতhttps://www.khaborerkagoj.com/golden-line/873569

১৯২৫ সাল। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জসীম উদ্দীন। ‘কল্লোল’ পত্রিকায় ‘কবর’ কবিতা ছাপা হলো। তিন বছরের ব্যবধানে তা পাঠ্যপুস্তকেও স্থান পেল। ‘কবর’ গ্রামজীবনকে ধারণ করে নিরেট ভাবাবেগের, সত্য ও সুন্দরে মোহবিষ্ট কবিতা। বাংলার প্রকৃতি, মাটি ও মননকে জসীম উদ্দীন ভালোবেসেছিলেন হৃদয়ের গভীর থেকে। বোদ্ধা সাহিত্যমহলে একরকম উপেক্ষিত ছিল পল্লি-প্রকৃতি ও লোক-ঐতিহ্য। শহর তখন আমাদের আধুনিক কবিদের তীর্থভূমি।