‘রইদ’ : সিনেমার ক্যানভাসে আদিম মনস্তত্ত্ব

  

 ‘হাওয়া’র অভূতপূর্ব সাফল্যের পর নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমন যেন দীর্ঘদিনের জন্য আত্মগোপনে চলে যান। অবশেষে সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও নীরবতার প্রহর কাটিয়ে তিনি ফিরে আসেন তাঁর দ্বিতীয় নির্মাণ ‘রইদ’ নিয়ে।

‘রইদ’ আঁকড়ে ধরেছে তপ্ত মাটির ওপর বেঁচে থাকার প্রাগৈতিহাসিক লড়াইকে, আর ‘হাওয়া’র গল্প গড়ে উঠেছিল সমুদ্রের ঝোড়ো হাওয়া আর মানবীয় সংশয় ঘিরে। তপ্ত রোদে মাটির বুকে লেপ্টে থাকা রুক্ষ জীবনের এই গল্প মানুষের আদিম বাসনার নির্মোহ রূপক। সরাসরি চলচ্চিত্রটি দেখা, আন্তর্জাতিক উৎসবে প্রশংসিত নানা বিশ্লেষণ এবং বিশ্বস্ত সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বলা যায়, ‘রইদ’ হচ্ছে সমাজের প্রচলিত মোহযুক্ত বিশ্বাস ও মেকি প্রথা ভাঙার দৃশ্যমান শিল্প। সাজানো সমাজের আড়ালে লুকিয়ে থাকে আদিম মনস্তত্ত্ব, প্রকৃতিবিরুদ্ধতা। সিনেমাটি মানুষের আদিম প্রবৃত্তি, ক্ষুধা ও প্রকৃতির সার্বভৌমত্বের এক পৌরাণিক রূপক হয়ে উঠেছে। গ্রামীণ সমাজ বাস্তবতার আড়ালে এখানে রয়েছে একটি কালোত্তীর্ণ ক্যানভাস।

বাকিটা পাঠের লিংক: রইদ সিনেমার আলোচনা

https://www.prothomalo.com/onnoalo




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন