- বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ আসলে কী? এর জন্য অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়।
- বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধু পাঠদান, ডিগ্রি প্রদানই কি মূল উদ্দেশ্য? নাকি আরও বিষয় আছে?
- বিশ্ববিদ্যালয় যে গবেষণা বা জ্ঞান উৎপাদন করে সেসব কি রাষ্ট্র ঠিক করে দেয়?
- নাকি
- বিশ্ববিদ্যালয়ই সমাজ ও রাষ্ট্রকে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে বাধ্য করে কী করতে হবে?
‘রাষ্ট্র ও বিশ্ববিদ্যালয়’ আসলে পারস্পরিক বোঝাপড়া। “কী করতে হবে বা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কী?” এই প্রশ্নের উত্তরের মাধ্যমেই বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন গবেষণার ক্ষেত্র তৈরি হয়। এতে লেখাপড়ার প্রকৃত উদ্দেশ্য সম্পর্কেও ধারণা আসে। রাষ্ট্র এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্ক তাই দ্বান্দিক ও জটিল অর্থাৎ, কে কাকে চালিত করবে, এ-জবাব একদম ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-র মাধ্যমে সরলভাবে দেওয়া সম্ভব নয়।
বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রকে যা বলার ক্ষমতা রাখে : "দেখুন, আমরা গবেষণা করে দেখলাম যে, রাষ্ট্রের বর্তমান নীতি ভুল। আমাদের সুচিন্তিত ফলাফল বলছে যে, সরকার যদি উপযুক্ত পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে সমাজ বা অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ভেঙে পড়বে।"সাধারণত বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, সামরিক খাত বা জনস্বাস্থ্য বিষয়ক গবেষণার জন্য কোটি কোটি টাকার প্রয়োজন হয়। অর্থনীতি, সমাজবিজ্ঞান বা পরিবেশবিজ্ঞানের গবেষণা সরাসরি রাষ্ট্রকে বাধ্য করতে পারে নতুন আইন বা নীতি তৈরি করতে। বিশ্ববিদ্যালয় স্বাধীন ও সৃজনশীলভাবে নতুন ধারণা ও প্রযুক্তি আবিষ্কার করে। রাষ্ট্র তার ওপর ভিত্তি করে নীতি ও অর্থনীতি সাজায়। সাহিত্য, দর্শন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, গণমাধ্যম অধ্যয়নের মাধ্যমে নাগরিক অধিকার, জেন্ডার সমতা বা মানবাধিকারের মতো বিষয়গুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চায় দানা বাঁধে। পরে তা সামাজিক আন্দোলনে রূপ নিতে পারে। অথবা সামাজিক ইস্যুগুলোই বিশ্ববিদ্যালয় গ্রহণ করতে পারে। পুনশ্চ বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রকে বাধ্য করে পুরোনো আইন বদলাতে।
অন্যদিকে রাষ্ট্রও বিশ্ববিদ্যালয়কে যা বলতে পারে: "আমাদের এই এই জাতীয় সমস্যা আছে, গবেষণার মাধ্যমে আপনারা সমাধান বের করে দিন। এর জন্য প্রয়োজনীয় ফান্ড সরকার দেবে।"
রাষ্ট্র যখন কোনো জাতীয় সংকট (যেমন: জলবায়ু পরিবর্তন, সাইবার নিরাপত্তা, বা কোনো মহামারি) বা ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হয়, তখন তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সেই সমস্যা সমাধানের জন্য আহ্বান জানায়। চাইলে রাষ্ট্র গবেষণার একটি আইনি ও নৈতিক সীমারেখাও টেনে দিতে পারে। যেমন: ক্লোনিং, এআই-এর ব্যবহার বা মানবদেহে চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরীক্ষা-নিরীক্ষা। বিশ্ববিদ্যালয়কে এ ধরনের কাঠামোর ভেতরেই কাজ করতে হয়। তবে উপেক্ষা করার উপায় নেই যে, রাষ্ট্র যে খাতে অর্থ বরাদ্দ বেশি করবে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্বাভাবিকভাবেই সেই দিকে ঝুঁকতে পারে।
তাই বলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো রাষ্ট্রের আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠান নয়। প্রযুক্তিগত ও সামাজিক অগ্রগতি ধরে রাখতে হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘অ্যাকাডেমিক স্বাধীনতা’ অত্যন্ত জরুরি। কোনো গবেষণার ফল যদি রাষ্ট্রের রাজনৈতিক দল বা সরকারের মতাদর্শের বিরুদ্ধেও যায়, বিশ্ববিদ্যালয় সেটাও প্রকাশ করার ক্ষমতা রাখে। অনেক সময় ফান্ডিং কাটার মতো রাজনৈতিক চাপ তৈরি হতে পারে, কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক ঐতিহ্য ও আইনি সুরক্ষার কারণে জ্ঞান উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ করা যায় না। উন্নত বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আপাতদৃষ্টিতে সম্পূর্ণ স্বাধীন মনে হলেও, রাষ্ট্র এবং করপোরেট ব্যবস্থা অত্যন্ত সূক্ষ্ম উপায়ে তাদের গবেষণার অভিমুখ নির্ধারণ করে দেয়। তবে রাষ্ট্র সরাসরি এসে বলে দেয় না, "আপনাকে এই গবেষণাই করতে হবে।" তারা এটি যথার্থ অর্থায়নের (Funding) মাধ্যমে সম্পাদন করে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কী কী কাজ?
বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ নানা রকম হতে পারে। তার মধ্যে পাঠদান একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে পাঠদান সর্বস্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্ব কম। বিশ্বে মূলত তিন ধরনের বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ দেখা যায়:
১. লিবারেল আর্টস বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ: এদের মূল ফোকাস শুধু আন্ডারগ্র্যাজুয়েট বা স্নাতক পর্যায়ে ভালো পাঠদান করা (গবেষণা খুব একটা হয় না)। একজন শিক্ষার্থীকে সামগ্রিকভাবে একজন প্রাজ্ঞ ও দক্ষ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই এদের প্রধান লক্ষ্য। এখানে কোনো শিক্ষার্থী শুধু ‘বিবিএ’ বা ‘কমপিউটার সায়েন্স’ নিয়ে চার বছর পার করে দেয় না। তাকে একই সঙ্গে সাহিত্য, দর্শন, ইতিহাস, গণিত, বিজ্ঞান—সব বিষয়ের মৌলিক ধারণা অর্জন করতে হয়। একে বলা হয় বহুমাত্রিক শিক্ষা বা Interdisciplinary Education.
২. সাধারণ বা টিচিং ইউনিভার্সিটি: এরা পাঠদান এবং ডিগ্রি প্রদানকে মূল কাজ মনে করে, গবেষণা এখানে গৌণ। এদের ফোকাস থাকে সুনির্দিষ্ট এবং ক্যারিয়ার-মুখী। একজন শিক্ষার্থী এখানে যে বিষয়ে ভর্তি হবে (যেমন: বিবিএ বা ইঞ্জিনিয়ারিং), প্রথম বর্ষ থেকেই সে মূলত সেই বিষয়ের ভেতরের জিনিসগুলোই পড়বে। এর উদ্দেশ্য হলো তাকে সরাসরি চাকরির বাজারের জন্য প্রস্তুত করা।
৩. গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়: এদের প্রধান পরিচয় এরা বৈশ্বিক জ্ঞান উৎপাদনের কারখানা। ক্লাসরুমের চেয়ে এদের ল্যাব, আর্কাইভ এবং লাইব্রেরিগুলো বেশি সক্রিয় থাকে। সাধারণ মানুষের মধ্যে একটা ভুল ধারণা আছে যে, এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে হয়ত কোনো ক্লাস হয় না, শুধু ল্যাবরেটরিতে গবেষণা হয়। বিষয়টি আসলে তেমন নয়, এর সুনির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক রূপ রয়েছে।
পাঠদান গুরুত্বপূর্ণ হলেও, এটি অস্বীকার করার জো নেই যে, যথার্থ বিশ্ববিদ্যালয় ধারণার একটি স্বীকৃত প্রাতিষ্ঠানিক রূপ হচ্ছে এই ‘গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়’। এটাকে বলা হয় উন্নত সমাজ ও রাষ্ট্র তৈরির জ্ঞানতাত্ত্বিক ও প্রযুক্তিগত নেতৃত্বের মূল চালিকাশক্তি।
‘গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়’ নামক প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্নাতক (Undergraduate) শিক্ষার্থীর চেয়ে স্নাতকোত্তর (Master's) এবং পিএইচডি (PhD) গবেষকদের সংখ্যা ও গুরুত্ব অনেক বেশি থাকে। যেমন, রকফেলার বিশ্ববিদ্যালয়, আমেরিকার নিউইয়র্কে অবস্থিত অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে কোনো ব্যাচেলর বা অনার্স ডিগ্রি নেই। পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট ও পোস্ট-ডক্টরাল গবেষণাই কেবল সেখানে করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়টি মূলত বায়োমেডিকেল সায়েন্স নিয়ে কাজ করে।
‘গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়’ হিসেবে ইতালিতে রয়েছে ইউরোপীয়ান ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট। এটি ইউরোপের এমন একটি প্রতিষ্ঠান যা কেবল পিএইচডি এবং পোস্ট-ডক্টরাল গবেষণার জন্য তৈরি, কোনো সাধারণ স্নাতক বা মাস্টার্স কোর্স এখানে নেই। মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো দেশটির গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানকার ইউনিভার্সিটি মালায়া (UM), ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া (UKM), ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া (UPM), ইউনিভার্সিটি সায়েন্স মালয়েশিয়া (USM), এবং ইউনিভার্সিটি টেকনোলজি মালয়েশিয়া (UTM) সবই গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে রয়েছে টাটা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্চ। স্বনামধন্য এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে উচ্চতর বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং সরাসরি পিএইচডি ডিগ্রি প্রদান করা হয়।
পাঠদান প্রক্রিয়া শিক্ষার্থীদের মনোগত পরিবর্তন ঘটায়। তবে পাঠপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর সনদ বা ডিগ্রি প্রদানের কাজগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের বাহ্যিক ও কাঠামোগত ভিত্তি। কোনো শিক্ষার্থী একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে কতটুকু পারদর্শী, তার প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি স্বীকৃতি (ডিগ্রি বা ডিপ্লোমা) দেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান কাজ। এই সনদের ওপর ভিত্তি করেই বৈশ্বিক চাকরির বাজার বা উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রিত হয়। কোন বিষয়ে কতটুকু পড়া উচিত, তার কারিকুলাম বা সিলেবাস তৈরি করে শিক্ষার একটি আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড বা মানদণ্ড বজায় রাখা হয়।
অর্থনীতির চাকা সচল করা
বিশ্ববিদ্যালয় অর্থনৈতিক অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। এটি এমন একটি Economic Engine, যার মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশ হয় এবং কর্মসংস্থান তৈরি হয়। একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে বিশাল অর্থনৈতিক কর্মযজ্ঞ গড়ে ওঠে। আবাসন, রেস্তোরাঁ, পরিবহন, লাইব্রেরি, প্রযুক্তি সামগ্রী—সব মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার স্থানীয় অর্থনীতি সচল থাকে। শিক্ষক ও গবেষক ছাড়াও শত শত প্রশাসনিক কর্মকর্তা, টেকনিশিয়ান, আইটি বিশেষজ্ঞ এবং সহায়ক কর্মীদের কর্মসংস্থানের বড়ো উৎস বিশ্ববিদ্যালয়।
নতুন উদ্ভাবন ও বাণিজ্য
বিশ্ববিদ্যালয়ের বড়ো কাজের একটি হচ্ছে, নতুন উদ্ভাবনের বাণিজ্যিকীকরণ ও পেটেন্ট ধারণ করা। ল্যাবরেটরিতে যে-সব নতুন প্রযুক্তি বা ওষুধ আবিষ্কৃত হয়, সেগুলোর আইনি মালিকানা বা পেটেন্ট (Patent) নিজেদের নামে করে নিতে হয়। বড়ো বড়ো কোম্পানির কাছে এই টেকনোলজি লাইসেন্স বা বিক্রি করে বিশ্ববিদ্যালয় বিপুল রাজস্ব আয় করে। সেই অর্জিত টাকা আবারও গবেষণায় ঢালে। তবে, অনেক সময় বিশ্ববিদ্যালয়কে দিয়ে রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক অর্থায়ন মানববিধ্বংসী সমরাস্ত্র গবেষণা ও বিজ্ঞানের ব্যবহারকে ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে। তবে এটাকে ঠেকানো একান্তই উচ্চ নৈতিকতার ব্যাপার। বিশ্ববিদ্যালয় চাইলে গবেষণার গতিকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা রাখে।
মেধার মূল্যায়ন
বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম কাজ মেধার সঠিক বিন্যাস বা ফিল্টারিং করা। এটি আসলে যোগ্যতা যাচাইয়ের ছাঁকনি হিসেবেও কাজ করে। সমাজ ও করপোরেট বিশ্বের জন্যও বিশ্ববিদ্যালয় একটি 'ফিল্টার' হিসেবে কাজ করে। ভর্তি পরীক্ষা এবং কঠিন শিক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে অত্যন্ত মেধাবী ও কঠোর পরিশ্রমী মানুষদের আলাদা করা হয়, যাতে রাষ্ট্র বা বড়ো প্রতিষ্ঠানগুলো সহজেই শীর্ষ মেধা খুঁজে পায়। কল্যাণকামী সমাজ, রাষ্ট্র ও মানুষ তৈরির করার মটো যাদের আছে, তারাও বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণদের উপযুক্ত কাজে লাগাতে পারে। আবার নেতিবাচকভাবেও তাদেরকে বিভিন্ন ভেতর ও বাইরের শক্তি অপব্যহার করার সুযোগ গ্রহণ করতে পারে।
পরিশেষে
বিশ্ববিদ্যালয় একটি সুস্থ সুন্দর জাতি তৈরিতে বিরাট ভূমিকা রাখতে পারে। মানুষের জীবন পরিধি তাদের আকাঙ্ক্ষার তুলনায় সংক্ষিপ্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা পাঠ নিতে পারেন, তারা আসলে এক অর্থে ভাগ্যবান। কারণ মানুষ তাদের জীবনের এমন একটি পর্যায় এখানে কাটায়, যাকে বলা হয় ‘স্বর্ণালী সময়’। বয়ঃসন্ধি থেকে পরিপক্কতা পর্যন্ত সাধারণত ১৮ থেকে ২৪-২৫ বছর বয়সি তরুণ-তরুণীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে। এই সময়টাতে তাদের (কিশোর বয়স থেকে পূর্ণাঙ্গ প্রাপ্তবয়স্ক) প্রকৃত মানুষে রূপান্তরিত করতে অনেক রসদ প্রয়োজন। তাদেরকে মানসিক মেন্টরশিপ, কাউন্সেলিং এবং মনস্তাত্ত্বিক সাপোর্ট দেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা বড়ো দায়িত্ব হয়ে ওঠে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নীরবে, কখনো সরবে অত্যন্ত জরুরি এই কাজগুলো সম্পাদন করে। কখনো তাকে নিতে হয় উচ্চমূল্যের ঝুঁকি। ফলে এক ধরনের অভিভাবকত্ব শুধু নয়, স্পর্শকাতর সব দায়িত্ব পালন করাটাও বিশ্ববিদ্যালয়ের নৈতিক কর্তব্য হয়ে দাঁড়ায়। এই দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে অবহেলার মূল্য পুরো জাতিকে বহন করতে হয়। আবার পুরো জাতিকে অন্ধকারে রেখে, শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ে আলো জ্বালাতে চাইলেও কাজ হয় না।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন